গ্রানাইট কোন ধরনের শিলা ?
গ্রানাইট কোন ধরনের শিলা ?
-
ক
রূপান্তরিত
-
খ
পাললিক
-
গ
আগ্নেয়
-
ঘ
কোনটিই নয়
গ্রানাইট হল আগ্নেয় শিলা।
আগ্নেয় শিলা তৈরি হয় যখন মাগমা (গলিত শিলা) ঠান্ডা হয়ে ঘনীভূত হয়। মাগমা ভূপৃষ্ঠের উপরে বা নিচে ঠান্ডা হতে পারে।
যদি মাগমা ভূপৃষ্ঠের উপরে ঠান্ডা হয়, তবে এটি অগ্ন্যুৎপাতী শিলা তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ:
- বেসাল্ট
- রাইওলাইট
- অ্যান্ডেসাইট
যদি মাগমা ভূপৃষ্ঠের নিচে ঠান্ডা হয়, তবে এটি অন্তর্নিহিত আগ্নেয় শিলা তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ:
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডায়োরাইট
গ্রানাইট একটি অন্তর্নিহিত আগ্নেয় শিলা। এটি খনিজ কোয়ার্টজ, ফেল্ডস্পার এবং মাইকা দিয়ে তৈরি। গ্রানাইট একটি শক্ত এবং টেকসই শিলা এবং এটি প্রায়শই নির্মাণ উপকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
পাললিক শিলা তৈরি হয় যখন পলি (ক্ষয় প্রাপ্ত উপাদান) একসাথে চাপ এবং উত্তাপের মাধ্যমে সংহত হয়। উদাহরণস্বরূপ:
- বালুপাথর
- চুনাপাথর
- শেল
রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয় যখন অন্য কোন ধরনের শিলা (আগ্নেয়, পাললিক বা রূপান্তরিত) চাপ এবং উত্তাপের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ:
- স্লেট
- মার্বেল
- শিস্ট
সুতরাং, গ্রানাইট একটি আগ্নেয় শিলা।
গুণগত রসায়ন
গুণগত রসায়ন হল রসায়নের একটি শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের মধ্যে কোন উপাদান বা যৌগ উপস্থিত আছে তা নির্ণয় করার সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত একটি পদার্থের গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, কোনো পদার্থ কী দিয়ে তৈরি, তা জানার চেষ্টা করা।
গুণগত বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য
- পদার্থের পরিচয়: কোনো অজানা পদার্থ কী দিয়ে তৈরি তা নির্ণয় করা।
- শুদ্ধতা নিরূপণ: কোনো পদার্থ শুদ্ধ কিনা তা নির্ণয় করা।
- মিশ্রণের উপাদান নির্ণয়: কোনো মিশ্রণে কোন কোন উপাদান রয়েছে তা নির্ণয় করা।
- রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া বোঝা: বিভিন্ন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধরন বোঝা।
গুণগত বিশ্লেষণের পদ্ধতি
গুণগত বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- শিখা পরীক্ষা: বিভিন্ন ধাতুকে আগুনে পোড়ালে তারা নির্দিষ্ট রঙের আলো দেয়। এই রঙের উপর ভিত্তি করে ধাতু চিহ্নিত করা হয়।
- অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া: একটি দ্রবণে কোনো বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ যোগ করলে একটি অদ্রবণীয় পদার্থ তৈরি হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- গ্যাসীয় পরীক্ষা: কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নির্দিষ্ট গ্যাস উৎপন্ন হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- বর্ণালী বিশ্লেষণ: কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নির্গত করে। এই আলোকে বিশ্লেষণ করে পদার্থের উপাদান নির্ণয় করা হয়।
- ক্রোমাটোগ্রাফি: এই পদ্ধতিতে একটি মিশ্রণকে তার উপাদানে বিভক্ত করে বিশ্লেষণ করা হয়।
গুণগত বিশ্লেষণের ব্যবহার
গুণগত বিশ্লেষণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন:
- রসায়ন: নতুন যৌগ আবিষ্কার, মিশ্রণ বিশ্লেষণ, শিল্পে ব্যবহৃত পদার্থের শুদ্ধতা নির্ণয়।
- জীববিজ্ঞান: জৈব যৌগের বিশ্লেষণ, খাদ্য পদার্থের গুণগত বিশ্লেষণ।
- পরিবেশ বিজ্ঞান: পানি, বায়ু এবং মাটিতে বিভিন্ন ধরনের দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতি নির্ণয়।
- ফরেনসিক বিজ্ঞান: অপরাধের ঘটনাস্থলে পাওয়া নমুনা বিশ্লেষণ করে অপরাধী শনাক্ত করা।
Related Question
View Allএর দ্রাব্যতা S হলে দ্রাব্যতা গুণফল হবে-
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
কোনটি কণা?
-
ক
1 neutron and 1 proton
-
খ
2 neutron and 2 proton
-
গ
1 neutron and 2 proton
-
ঘ
2 neutron and 1 proton
সমআয়নের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়-
i .দ্রাব্যতা
ii. দ্রাব্যতা গুণফল
iii. আয়নিক গুণফল
নিচের কোনটি সঠিক?
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
কোন লবণটি অধিক দ্রবণীয়?
-
ক
Agl
-
খ
AgBr
-
গ
AgCl
-
ঘ
Agf
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন